বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে এমন কিছু খাবার খাওয়া উচিত যা শরীরে দ্রুত এনার্জি যোগায়, মস্তিষ্ককে সতেজ করে এবং স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।
খেতে পারেন
প্রতিদিনের খাবারে একঘেয়েমি চলে আসা খুবই স্বাভাবিক। বিশেষ করে ভাতের সঙ্গে একই ধরনের তরকারি খেতে খেতে অনেকেই নতুন স্বাদের খোঁজ করেন।
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসময় শরীরকে জলীয় রাখতে সাহায্য করে ঠান্ডা পানীয়। পানীয় হিসেবে মিল্কশেক বেশ জনপ্রিয়।
প্রতিদিনের ইফতারে ভাজাপোড়া কম খেয়ে বিভিন্ন ফল খাওয়া উত্তম বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিদিনের ইফতারে ভাজাপোড়া কম খেয়ে বিভিন্ন ফল খাওয়া উত্তম বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাহরিতে একটু হালকা ধরনের খাবার খেতে বেশি ভালোলাগে। আবার প্রোটিনের যেকোনো পদও পাতে রাখা জরুরি।
পবিত্র রমজান মাসের ইফতারে চাই পুষ্টিকর ও তৃষ্ণা মেটানো খাবার। এজন্য বিভিন্ন ফলের জুস হতে পারে একটি প্রধান পানীয়।
শসা-লেবুর শরবত হতে পারে সেই সহজ ও স্বাস্থ্যকর সমাধান। শসার প্রাকৃতিক জলীয় অংশ আর লেবুর ভিটামিন সি মিলে এই পানীয় শুধু তৃষ্ণাই মেটায় না, বরং ক্লান্ত শরীরে ফিরিয়ে আনে সতেজ অনুভূতি।
রমজানে ইফতার মানেই নানা ধরনের খাবার। এর মধ্যে মিক্সড ল্যাটকা খিচুড়ি খেতে অনেকেই পছন্দ করেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইফতারে খিচুড়ির ছবি আলাদা নজর কাড়ে।
শীতের সকালে একটু উষ্ণতা পেতে স্যুপ খেতে পারেন। কয়েকটি উপকরণ দিয়ে রান্না করতে পারেন ‘আলুর স্যুপ’। জানিয়ে দিচ্ছি রেসিপি।